Showing posts with label কবিতা (প্রকৃতি ও দেশ). Show all posts
Showing posts with label কবিতা (প্রকৃতি ও দেশ). Show all posts

শ্বেতপদ্ম



নিশিদিন পড়ে মনে
তাল নারকেল সুপারি বনে
অনুরাগে ডাকে আকাশ ধরণী
হেমন্ত ছড়ায় শিশির মাখা চাঁদনী।

সাগরিকা



ওই দূর নীল সাগরে
খোলা এই আকাশে
ঝিরি ঝিরি বাতাসে
এ মন হারাতে চায়
কোন সুদূরে।

মাটির পরশ



চেয়ে চেয়ে দেখেছি বসে নদীর প্রান্তে
উড়ে যায় বলাকা সীমাহীন দিগন্তে।
নতুন ঐ কুড়ি গুলো ফোটে যেন লাজে
পাখা মেলে প্রজাপতি ওড়ে নানা সাজে।

শরতের নিমন্ত্রণ



দুপুরের রোদে কপোতীরা উড়ে যায়
শরতের শেষে দূরের ওই নীলিমায়।
বসে বসে দেখি তাই একা বাতায়নে
কোন বাঁধা মানে না দুই নয়নে।

বাংলার রূপ



মেঘনা যমুনা পদ্মার সঙ্গমে
দেখেছি বাংলার রূপ
নীল শাড়ী পরা গায়ের বধূ
জ্বালায় সুগন্ধি ধূপ
সাঁঝের বেলা দেখো মাটির ঘরে।

এই তো আমার সোনার বাংলা



বাংলার রূপ আমি খুঁজে পেয়েছি
চোখ জুড়ানো সবুজ বনে
স্বর্ণলতা দোলে কুঞ্জবনে পাখির গানে
প্রভাতে সূর্য উঠে গায়ের বাঁকে রক্ত লাল।

রাখালিয়া



রাখালি বাঁশীর সুরে
আমার এ মন যায় কোন দূরে
দেখি নাই যাকে নয়ন ভরে
সেই সুর শুধু হৃদয়ে ঝরে।

মনে এলো সহসা


রিমঝিম রিমঝিম বরষা
নেমে এলো সহসা
সহজেই থামবে নেই ভরসা।

মৌন পাহাড়

সবুজের প্রান্ত দাঁড়িয়ে আকাশের নীলিমা ছাড়িয়ে
কুয়াশা চাঁদর গায়ে মৌন পাহাড় রয়েছ ঘুমিয়ে।
হৈমন্তী প্রভাতে দেখিনা তোমার মুখ খানি
কে যেন রেখেছে ঢেকে তার আঁচলে জড়িয়ে।

নিশীথিনী



ঝিল্লী ডাকা জোনাক জ্বলা নিশি রাতে
জোছনা চাদর গায়ে পৃথিবী ঘুমায়,
শিশির কণা মুক্তা হয়ে ঝরে মেঠো পথে
তমাল তরু শুধু ঘুম পারানি গান গায়।

ছুটির দিনে



চাপা বনে ফুল ফুটেছে আয়রে তোরা আয়
ছুটির দিনে ঘরে কি আর বসে থাকা যায়।
শহর ছেড়ে মন চলে যায় অনেক দূরের গায়
নদীর জলে সেথায় মাঝি পাল তুলে ওই যায়।

ও নদীরে-



গোমতী কুশিয়ারা পদ্মা যমুনা
এইতো আমার ঠিকানা।
বুড়িগঙ্গার তীরে জানি,
আমাদের রাজধানী।

শ্রাবণ ধারা



শ্রাবণে বৃষ্টি কি যে অনাসৃষ্টি
তবু ভারি মিষ্টি
সকাল থেকে আকাশ ভেঙ্গে
নামছে দেখ বৃষ্টি।

বারো মাসের কবিতা



চৈত্র মাসের পরে বৈশাখে ফুটে কামিনী
তাই যেন মধুময় গ্রীষ্মের যামিনী।
জ্যৈষ্ঠ মাসের পরে আসে আষাঢ়
কত রঙ এর ফুল ফোটে কতনা বাহার।

রক্তে ভেজা বাংলা



আমার ভাষাকে কেড়ে নিতে চেয়েছিল
এত সাহস ওরা কোথায় পেয়েছিল?
রাজপথে ওরা চালিয়েছিল গুলি
ভাইয়েদের আঁখি গিয়েছিল খুলি।

বিজয় বরণ



রক্ত নদী পেরিয়ে এনেছি স্বাধীনতা
ভেঙ্গেছি শিকল পাষাণ পরাধীনতা।
স্বাধীনতা আমায় দিয়েছে ভ্রমণ গুঞ্জরন
জয়গান হৃদয়ে জাগে অনুক্ষণ।

স্বাধীনতা সরোবর



বসন্ত স্নান করেছি স্বাধীনতা সরোবরে
আনন্দ বৃষ্টি তখন ঝরেছিল অঝোরে।
পলাশ কলি ফুটেছিল মনের উল্লাসে
শোণিত সাগরে ভেজা রক্তিম পরশে।

স্মৃতির ফাল্গুন



শিমুল শালুক এতো লাল কোথায় পেয়েছিল
বুক থেকে ফাগুন রক্ত ঢেলে দিয়েছিল।
কৃষ্ণচূড়া সাজল সেদিন সেই রক্তিম আগুনে
যে দিনের পথ চেয়ে বসে ছিল প্রহর গুণে।

সূচনা



চলতি পথে শুনেছি
নদীর কলতান, ভ্রমর গুঞ্জন, পাখির কুজন
পাতায় পাতায় বাতাসের শিহরণ
দেখেছি শান্ত অশান্ত ঢেউ, সন্ধ্যা বিজন,
তারার ঝিলিমিলি আকাশের নীলিমা
দিগন্তের ওই হাতছানি আর
শুক্লা তিথির পূর্ণিমা।

জেগে ওঠ নবীন


       আমি অবোধ আমি নির্বোধ আমার নেই কোন বোধ
সব হারিয়ে আজ আমি  রিক্ত সিক্ত নিঃস্ব, আমি দুর্বোধ।
ছেলের মৃত্যু দেখেছি আমি এই দেশে ওদের হাতে
একটি মাত্র মেয়ের সম্ভ্রম যেতে দেখেছি ওদের সাথে।