Showing posts with label কবিতা (প্রেম ও বিরহ). Show all posts
Showing posts with label কবিতা (প্রেম ও বিরহ). Show all posts

নেই যেখানে ইতি



এখনও ইচ্ছে করে কোন পূর্ণিমা রাতে
রবি ঠাকুরের জোছনা ভেজা পথে
রজনীগন্ধা সুবাস নিয়ে
মানসীর স্বপ্ন রাঙ্গা হাতে হাত রেখে
চলে যাই অনেক দূরে-
যেখানে জল আসবে না চোখে
আর থাকবে না সুকান্তর ঝলসানো রুটি।

থেমে যাওয়া কাব্য



সাগর তীরে যাবার পথে
সোনালী স্মৃতি ছিল সাথে
তুমি ছিলে শুধু আভাসে
উজ্জ্বল প্রভাসে।

শিশির ভেজা বসন্ত



তোমাকে জানতে চেয়েছি
পৌষের হিমেল বাতাসে
চৈতী খর দহনে
বৈশাখী ঝড় জলে
আর শরতের সুনীল আকাশে।

মেঘলা গগনে



সঘন শ্রাবণে মেঘলা গগনে
এলো যে বরষা হায় এলো যে মনের বনে।

ফাগুন বেলা



দিগন্ত বিস্তৃত মেঠো প্রান্তর
সময়ের হাত ধরে চলে নিরন্তর।
আকাশে ওড়ে সাদা মেঘের ভেলা
শান্ত অশান্ত উদাসী বালুকা বেলা।

আজও কি পড়ে মনে



মনে কি পড়ে সেদিন, যেদিন আমায় প্রথম দেখেছিলে?
চেয়ে ছিলে অবাক বিস্ময়ে, তারার মত চোখ দু’টি মেলে!
আমার পানে চেয়ে নীরব তুমি হয়েছিলে বিহ্বল দিশাহারা,
কখন যেন ডেকেছিলাম নামটি ধরে, পাইনি কোন সারা।

বারটি বছর আগে



তুমি কি এখনও আছ বারটি বছর আগের মত,
পথ চেয়ে দাঁড়িয়ে থাক শিউলি গাছের নিচে?
রাতের আঁধারে ঘুম ভেঙ্গে জানালায় খুঁজে দেখ
জোনাকিরা আছে নাকি আমার পথের পাশে!

বারটি বছর পরে



আমি তো তেমনই আছি যেমন দেখেছিলে বারটি বছর আগে,
এখনও তোমার আশায় পথ চেয়ে বসে থাকি শিউলি তলে।
কোথা থেকে কি ঝড় বয়ে গেল, হয়ে গেল সব এলো মেলো,
কত যতনে গাঁথা কুড়ান ফুলের মালা খানি শুকিয়ে গেল।

সিক্ত অনুরণন



জোছনার রংধনু থেকে চন্দন এনেছি তোমায় সাজাব বলে,
আকাশের তারা এনেছি মালা গেঁথে তোমায় পড়াব গলে।
সাগর তলে রূপ নগরে বেঁধেছি তোমার জন্যে ছোট্ট বাসা,
বাঁকা চাদের কানের দুল পড়াব তোমায় সেই তো ছিল আশা।

বধূয়া

বধূ যতই মন্দ বলুক মুখে
ঠাই পেয়েছি পাখির নীড়ের মত অমন চোখে।

তুমি, শুধু তুমি



কোন কাননে তুমি গাইতে এলে গান
যেখানে পাখিরা পল্লব তলে ধরে তান।

বিষাদ নূপুর



আকাশের ঘনঘটা দেখে বাজে
কার বুকে এমন করুন সুর?
চাঁদের হাসি মুছে গিয়ে
জোছনা হলো কেন দূর?

বিরহী



আকাশ কেন ছেয়ে গেল মেঘে
চাঁদ কেন হারাল ওই দূর বনে
কোন বিরহী কাঁদে এমন দিনে একা নির্জনে।

স্মৃতির আয়না



প্রথম যেদিন এসেছিলে আমার দ্বারে
সেদিনের কথা আজো কি মনে পরে?
চাঁদ ছিলোনা আকাশে, জোনাকি দেখি বনে।

নৈরাশ্যের গান



ধুপ জ্বলা সন্ধ্যার দেশে
কি কথা বলে পাখি এসে
আমি কার
কে আমার,
কোকিল ডাকা প্রভাতে
প্রশ্ন জাগে মনের অজান্তে।

কুহেলিকা



সেদিনের সেই সন্ধ্যা বেলা
ওপাড়ে ভিড়ায়ে তরী একেলা
হাত দুটি ধরে বলেছিলে
আবার আসিবে ফিরে।

প্রণয়ী



অলস বীণা হাতে তুমি এসেছিলে পাশে
সুধা হলো বিষের পেয়ালা তোমার পরশে।
মেঘ বিহীন আকাশে যেন বরিষিল আজ
ধরণী সাজিল যেন অপরূপ সাজে।

ক্ষণিকা



তোমায় খুঁজে ফিরে কে পরবাসে
আজো কহিল না সে কারে ভালোবাসে
আঁচলে জড়িয়ে যখন বন কুমারী
চলিল কুঞ্জ পথে, ছিল আলো আঁধারি।

সংকট



বিরহ বিরাগ জড়িত
শ্যাম সুন্দর মোহিত,
সুরভিত সখী সেই অন্তর
পরশে সরস হয় মরু প্রান্তর।

স্বপ্ন তরী



ও কাজল কাল রাত তুমি
বল আমার কৃষ্ণ বরণ সখীরে
ইশারায় সে কেন ডাকে না আর আমাকে।